সেপ্টেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাজ্যের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের (ওএনএস) তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭০ কোটি পাউন্ড বা ২ হাজার ৭১৮ কোটি ডলারের সমতুল্য।

যুক্তরাজ্যের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকসের (ওএনএস) তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭০ কোটি পাউন্ড বা ২ হাজার ৭১৮ কোটি ডলারের সমতুল্য। ঘাটতির এ আকার আগের মাসের তুলনায় কিছুটা কম। খবর আনাদোলু।

এর আগে বাজারসংশ্লিষ্টরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৮০ কোটি পাউন্ডে।

যুক্তরাজ্যে ওই মাসে রফতানি বাবদ আয় হয়েছে ২ হাজার ৯৪০ কোটি পাউন্ড, যা আগের মাসের তুলনায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কম। পণ্য আমদানি কমেছে ২ শতাংশ, যার আকার ৫ হাজার ১০ কোটি পাউন্ড।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যভুক্ত দেশগুলোয় এ সময় যুক্তরাজ্য থেকে রফতানি ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৪০ কোটি পাউন্ডে নেমে এসেছে। আমদানি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৫০ কোটি পাউন্ডে। ফলে ইইউ অঞ্চলের সঙ্গে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১০ কোটি পাউন্ডে।

ইইউ-বহির্ভূত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৮৬০ কোটি পাউন্ড। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে দেশগুলোয় রফতানি ৮ শতাংশ কমে যায়, এর আকার ১ হাজার ৫০০ কোটি পাউন্ড। আমদানি দশমিক ৫ শতাংশ কমে হয়েছে ২ হাজার ৩৬০ কোটি পাউন্ড।

যুক্তরাজ্য থেকে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক পণ্য এবং যন্ত্রপাতি ও পরিবহন সরঞ্জাম রফতানি কমেছে, যার প্রভাব দেখা যাচ্ছে সামগ্রিক রফতানিতে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমেছে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ৫০ কোটি পাউন্ড কমেছে। এর কারণ হলো পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি কমে যাওয়া।

ওএনএস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় মার্কিন বাণিজ্যনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এটি ব্রিটিশ ব্যবসা খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানি ২০২২ সালের জানুয়ারির পর সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে। গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক আরোপের পর থেকে তুলনামূলক নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে দেশটিতে ব্রিটিশ রফতানি।

আরও